Current News 

রনজিৎ কুমার রায়, সভাপতি, কলেজ পরিচালনা পর্ষদ

বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে ১৯৭১ সালের শহীদ বুদ্ধিজীবী প্রখ্যাত সাংবাদিক শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেনের নামে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়-শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজ, খাজুরা, যশোর। যশোর শহরের উত্তরে ঢাকা-কোলকাতা মহাসড়কের পাশে এক মনোরম ভৌগলিক অঞ্চলে অবস্থিত কলেজটি বর্তমানে যশোরের ভাল কলেজগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম কলেজ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে নিত্য-নতুন উদ্ভাবন, সৃজনশীল চিন্তা-ভাবনা একান্ত কাম্য। বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা যশোর। ডিজিটালের সঙ্গে সমন্বয় বিধান করে নিরন্তন উর্দ্ধগামী হবার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। সেক্ষেত্রে শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজ শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াসহ মেধাবিকাশের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। এ কলেজটি একদিন বাংলাদেশের মডেল রোল হিসেবে পরিগণিত হবে সে লক্ষ্যে আমি কাজ করে চলেছি। আমার বিশ্বাস, একদিন আমরা সফলতা পাবোই।

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যক্ষ, শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজ, খাজুরা।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নির্দেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী, কলম সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুদ্দীন হোসেন মহোদয়ের নামে প্রতিষ্ঠিত শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজ, যশোর।প্রাকৃতিক লীলাভূমি আর মনোরম সৌন্দর্যের সমন্বয়ে হাজার হাজার ছাত্র/ছাত্রীর কলকাকলিতে মুখরিত এ বিদ্যাপীঠ আজ যশোর জেলার মধ্যে শিক্ষা, বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সাহিত্য সংস্কৃতি, ক্রীড়াসহ মেধা বিকাশের অনন্য স্বাক্ষর বহন করে চলেছে। সব কিছু সম্ভব হয়েছে শিক্ষকবৃন্দের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, পরিচালনা পর্ষদের সুন্দর দেখভাল। সর্বোপরি বর্তমানে কলেজটির সার্বিক উন্নয়নে যিনি মূল চাবিকাঠি, যার প্রজ্ঞা, মেধা এবং যুগোপযোগী নেতৃত্বে প্রতিনিয়ত কলেজটি আধুনিকরণ হচ্ছে-তিনি জনাব রণজিৎ কুমার রায়, মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য, যশোর -৪ ও সভাপতি, কলেজ পরিচালনা পর্ষদ, শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজ, খাজুরা, যশোর। তাকে কলেজের পক্ষ থেকে জানাই সশ্রদ্ধ সালাম ও অভিবাদন। ভবিষ্যতে কলেজটি বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম সেরা কলেজে রূপান্তরিত হবে দৃঢ় বিশ্বাস করি।

মোঃ আমিনুর রহমান উপাধ্যক্ষ, শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজ, খাজুরা।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির মহান স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনীর পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালী জাতির ঐতিহাসিক বিজয়ের পরপরই ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সাবেক যশোর জেলার কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বুদ্ধিজীবী, প্রখ্যাত সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনের নামে প্রতিষ্ঠিত হয় শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রতিষ্ঠিত সেই কলেজটি আজকে প্রায় চার হাজার ছাত্র-ছাত্রীর পদচারণায় মুখরিত। যশোর শহরের উত্তরে অবস্থিত ঢাকা-কোলকাতা মহাসডকের পাশে এক নান্দনিক পরিবেশে অবস্থিত একটি অন্যতম মডেল কলেজ হিসেবে শক্ত ভিতের উপরে দাড়াতে সক্ষম হয়েছে। আজকে আমি কৃতজ্ঞচিত্তে বলতে চাই এই কলেজটির সার্বিক উন্নয়নের পিছনে যার সবচেয়ে বেশি অবদান-তিনি হলেন অত্র এলাকার কৃতি সন্তান, মাটি ও মানুষের নন্দিত নেতা জাতীয় সংসদ সদস্য জনাব রণজিৎ কুমার রায়। কলেজটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আরো যাদের অবদান আছে তারা হলেন, মরহুম ডাঃ আলতাফ হোসেন, মরহুম মাস্টার ওলিয়ার রহমান, সাবেক অধ্যক্ষ জনাব পরিতোষ কুমার ঘোষ, সাবেক উপাধ্যক্ষ জনাব আফসার আলী চাকলাদার-এর নাম বিশেষভাবে প্রনিধানযোগ্য। পাশাপাশি বর্তমান অধ্যক্ষ জনাব আব্দুর রাজ্জাকের গতিশীল নেতৃত্বে আমাদের সকল শিক্ষক-কর্মচারীর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার মান উন্নয়ন সর্বোচ্চ চূড়ায়। আমি দৃঢ়তার সাথে আশাবাদ ব্যক্ত করি অদূর ভবিষ্যতে কলেজটি সারা বাংলাদেশের মধ্যে একটি অনুকরণীয় কলেজ হিসেবে নিজেকে দাড় করাতে সক্ষম হবে।